রবিবার, ২৬ Jun ২০২২, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
তিতাসে আব্দুর রহমান ওরফে কালামিয়া নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

তিতাসে আব্দুর রহমান ওরফে কালামিয়া নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

তিতাস(কুমিল্লা)প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার তিতাসের বলরামপুর ইউনিয়নের নাগেরচর উত্তর পাড়া গ্রামের আব্দুর রহমান ওরফে কালামিয়া নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে নাগেরচর উত্তর পাড়া গাউসুল আজম জামে মসজিদ কমিটির পক্ষে সভাপতি জাকির হোসেন ও সেক্রেটারি মোঃ ওমর ফারুক নামে তারা দুইজন।জানা যায়,গত সোমবার উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) বরাবরে আব্দুর রহমান ওরফে কালামিয়ার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এই অভিযোগ করেছে তাঁরা।তাদের স্বাক্ষরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,বলরামপুর ইউনিয়নের নাগেরচর উত্তর পাড়া গাউসুল আজম জামে মসজিদ কমিটির নাম ভেঙে আব্দুর রহমান ওরফে কালামিয়া নামের এক ব্যক্তি সরকারি খাস জমি দখল করে দেয়াল নির্মাণের এমন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করে একই গ্রামের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী মোঃ তারেকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।আব্দুর রহমান ওরফে কালামিয়ার দাখিলকৃত এহেন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধও জানিয়েছেন ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন ও সেক্রেটারি মোঃ ওমর ফারুক নামে তাঁরা দুইজন।আব্দুর রহমান ওরফে কালামিয়ার দাখিলকৃত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় বইছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে।আব্দুর রহমান ওরফে কালামিয়া নামে যুবকের অভিযোগ দাখিলের কয়েক দিন যেতে না যেতেই গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে নাগেরচর উত্তর পাড়া গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তারেকুল ইসলামের বাগানবাড়ির বিভিন্ন জাতের প্রায় ৬০-৭০ টি ফল গাছ কেটে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।এঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী তারেকুল ইসলাম নিজে বাদী হয়ে ৬৫ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেছে অজ্ঞাতনামা দুস্কৃতিকারীরা উল্লেখ করে থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।এবিষয়ে ব্যবসায়ী তারেকুল ইসলাম জানান,আমার জায়গাটা হচ্ছে মালিকানা জায়গা,আমার এখান থেকে সরকারি খাস জমি ৯৬ ফিট দূরে।মসজিদ কমিটির নাম ভেঙে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)মহোদয়ের বরাবর আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করছে আব্দুর রহমান কালা মিয়া নামের এক ব্যক্তি ।আমি তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।এবিষয়ে আব্দুর রহমান

কালামিয়া বলেন,আমি কিছুই জানি না।আমি এখনো কোনো নোটিশ পাই নাই, কাছ কটার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,কে বা কারা গাছ কেটেছে আমি কেমনে কমু। এব্যাপারে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসাম্মাৎ ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আমার বাড়ির পাশাপাশি হওয়ায় গাছ কাটার খবর পাই এবং খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি,তার সাথে সাথে আমার ফেসবুক থেকে একটি পোস্ট দিয়ে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং কাছ কাটার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের সু- দৃষ্টি কামনা করেছি।এব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) কে এম আবু নওশাদ জানান,এটা আমাদের নয়,ফৌজদারি বিষয়।তাঁরা থানার আশ্রয় নিতে পারে।তিতাস থানার সেকেন্ড অফিসার মধুসূদন সরকার বলেন,বিষয়টি এখনো আমি অবগত না,খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

ফেসবুকে সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2017 আলোকিত ভোরের বার্তা
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com