রবিবার, ২৬ Jun ২০২২, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
পবার দামকুড়াতে পুকুর খনন কারিদের মিথ্যা সংবাদ ও অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

পবার দামকুড়াতে পুকুর খনন কারিদের মিথ্যা সংবাদ ও অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পুকুর সংস্কার করতে হলে দিতে হবে ৪০ হাজার টাকা! নইলে কাজ বন্ধ মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে পবা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ওই এলাকার মৃত আলাউদ্দিন সরকারের ছেলে মেহেদি আসিফ সরকার প্রিন্স ও দামকুড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওই এলাকার মোমিন সরকারের ছেলে সাব্বির সরকার।

শনিবার গনমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ লিপির মাধ্যমে তারা জানান, দুটি নিউজ পোর্টালে পবার দামকুড়া আলোকছত্র গ্রামে রাতে পুকুর খননের সংবাদ প্রচার করাকে কেন্দ্র করে পুকুর খনন কারিদের কাছে অর্থের বিনিময় যে মিথ্যা অপপ্রচার করা হয় তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। সেই সাথে প্রতিষ্ঠিত টেলিভিশন মিডিয়ার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতিহিংসা মূলক যে সংবাদ প্রচার করেছে তা মিথ্যা উদ্দেশ্যমূলক। সেখানে প্রকৃত ঘটনার অডিও ক্লিপ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করেছেন সাংবাদিকরা।

সেই ঘটনায় সাথে থেকে পুকুর খননের সংবাদ প্রচারে সহায়তা করায় দামকুড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক সাব্বির ইসলাম ও পবা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী আশিষ সরকার (প্রিন্স) কে জড়িয়ে যে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করেছে তা মিথ্যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য মূলক। নিউজ পোর্টালে দুই স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকে মাদক আসক্ত বলা হয়েছে ও পুকুর খননের জন্য চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলে যে বক্তব্য দিয়েছেন পবা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ওয়ার্কাস পার্টির নেতা আশরাফুল হক তোতা তা পূর্ব শত্রুতা মূলক ও প্রতিহিংসামুলক।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, সাব্বির ও প্রিন্স স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তাদের পারিবারিক এলাকায় সুনাম রয়েছে। সাব্বির ও প্রিন্স রাতে তাদের এলাকার আলোকছত্র গ্রামে পুকুর খনন করার ফলে তাদের গ্রামের রাস্তাটির ব্যাপকভাবে ক্ষতি হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পুকুর খননের মাটিতে কাদায় ঘনঘন দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাছাড়া পুকুর সংস্কার ও খনন করতে হলে সরকারি অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তুু তারা প্রশাসনের কোন অনুমতি ছাড়াই থানা ও উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে রাতে পুকুর খনন করায় চড়ম ক্ষুব্ধ একাধিক এলাকাবাসী। তারা যদি বৈধ ভাবে পুকুর খনন করতেন তা হলে, সে টি রাত ১০ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত চলতো না।
এলাকার এমন সমস্যায় পুকুর খননকারি জেলা যুবদল নেতা গোবিন্দপুর গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে হাবিবকে নিষেধ করাসহ রাস্তার ক্ষতির বিষয়টি বলতে যান সাব্বির, প্রিন্সসহ এলাকাবাসী। সেখানে পুকুর খননকারি হাবিবকে তারা বলেন, জনসাধারণের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় ও সরকারি অনুমতি পালন করার জন্য। এ কথা বলায় হাবিব তাদের উপরে চরম ক্ষিপ্ত হয় এবং নানা রকম হুমকি-ধামকি প্রদান করে। পরে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে পুকুর খনন বন্ধে পবা উপজেলা পরিষদের একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

পরে ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির ও প্রিন্স বিষয়টি এশিয়ান টিভি ও দৈনিক ভোরের ডাক জাতীয় কাগজের রাজশাহী প্রতিনিধি এবং জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল পদ্মাটাইমস২৪ ডটকমের চীফ রিপোর্টার মুরাদুল ইসলাম সনেটকে জানায়।

বিষয়টি জানতে ও দেখতে সাংবাদিক সনেট রাতে পুকুর খননের স্থলে গিয়ে দামকুড়া থানার ওসিকে জানায় এবং লাইভ সংবাদ প্রচার করে। সংবাদ প্রচার শেষে ফেরার পথে যুবদল নেতা হাবিব, বিএনপি নেতা ইব্রাহিম সাংবাদিক ও প্রিন্স এবং সাব্বিরের উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে হাতাহাতি হয়। সাংবাদিকের ফোন কেড়ে ভেঙ্গে ফেলা হয়। তার আগেই ঘটনা স্থল থেকে থানার ওসিকে একাধিক বার ফোন করেও তাদের কোন সহায়তা পাওয়া যাইনি ।
ঘটনার কিছু সময় পরেই পুকুরটি ৭ বিঘা বড় করার জন্য কন্টাক নেয়ার মুল হোতা দামকুড়ার নজরুল ইসলামের ছেলে শরিফ, ওয়ার্কাস পার্টির নেতা আশরাফুল হক তোতাসহ আলোকছত্র গ্রামের মৃত আরমান আলীর ছেলে সোহেলসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এসময় থানার ওসির সাথে সাংবাদিক সনেট কথাও বলায় শরিফ ও হাবিবের সাথে। তার পরে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন যুবদল নেতা হাবিব, ইব্রাহিম মেম্বারসহ ৫ থেকে ৮ জন ঘিরে ফেলে। এসময় শরিফ ও তোতার মদদে রাকিব কোদাল দিয়ে ফের প্রিন্সের হাতে আঘাত করে ধাক্কা ধাক্কি হয়।
এ সময় সাংবাদিক থানার ওসি কে বিষয়টি জানিয়ে অভিযোগ করতে চাইলে, শরিফ ও তোতা, ইব্রাহিম মেম্বার সাংবাদিকের হাত ধরে মাফ চায় ও বিষয়টি নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না করতে অনুরোধ করে।

ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায় সাংবাদিক সনেটকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। অডিওতে শোনা যায়, শরিফ বলছে, আমাকে চেনো পুলিশসহ অনেককেই চালাই আমি। তুই আমার কিছুই করতে পারবি না।

অপরদিকে তোতা বলে, তুমি সাংবাদিক সনেট চিনতে পারিনি ছেলে পেলে ভুল করেছে ক্ষমা করো। পরে বিষয়টি সাংবাদিক পুলিশ কমিশনারসহ উর্ধতন প্রশাসনের কর্মকর্তাকে জানান। পরে সাংবাদিক সনেটকে প্রিন্স ও সাব্বির সেখান থেকে নিয়ে চলে আসে। এরপর বিভিন্ন গনমাধ্যমে রাতে পুকুর খননের ছবি তোলায়, সাংবাদিককে লাঞ্চিত শিরোনামে সংবাদ প্রচার হয়। এ বিষয়টি ঘোলাটে করতে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা প্রিন্স ও সাব্বিরকে চাঁদাবাজ বানাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পুকুর খননে মদদ দাতারা।

 

 

প্রতিবাদান্তে..

মেহেদি আসিফ সরকার (প্রিন্স),

পিতা: মৃত আলাউদ্দিন সরকার

সাং: মধুপুর,থানা: দামকুড়া,

সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পবা উপজেলা ছাত্রলীগ।

সাব্বির সরকার
পিতা: মোমিন সরকার,

সাং: মধুপুর,থানা: দামকুড়া।

দামকুড়া ইউপি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

ফেসবুকে সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2017 আলোকিত ভোরের বার্তা
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com