শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৩:২৪ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
বাগমারার রামরামা বরজপাড়া থেকে কুখ্যাত মাদক ব্যাবসায়ী আনোয়ার ৫১৫ পিছ ইযাবা সহ পুলিশের হাতে আটক আমতলী সাংবাদিক ক্লাব ও উপজেলা প্রেস ক্লাবের যৌথ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত চারঘাটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ধর্মীয় গীর্জা নির্মান প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন বাঘায় বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত আরএমপি কর্ণহার থানা এর উদ্দ‍্যোগে শারদীয় দূর্গাপূজার সম্প্রতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে চাকরির আশায় যুবক নিঃশ্ব প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা রাজশাহীতে চাকরি ছাড়ার ১ বছর পরে মামলা করে অর্থ দাবি নাসিরনগর দুর্গাপূজা উপলক্ষে জি,আর(চাল) বিতরণ চারঘাটে প্রতিমায় রং তুলির আচঁড়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কারিগররা তিতাসে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৫ টাকা কেজি দরে চাউল বিতরণে অনিয়ম
রাজশাহীর পবায় জাল দলিলে বাবার সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টায় প্রতারক কারাগারে

রাজশাহীর পবায় জাল দলিলে বাবার সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টায় প্রতারক কারাগারে

মোস্তাফিজুর রহমান জীবন রাজশাহীঃ রাজশাহী পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের কলার টিকর এলাকায় নিজ ভাই ও বোনদের ফাঁকি জাল দলিলে বাবার সম্পত্তি আত্মসাতের ঘটনায় বোনের দায়ের করা মামলায় প্রতারক হাসান আলী রাজশাহী কারাগারে বন্দী রয়েছেন।

হাসান আলী দামকুড়া ইউনিয়নের কলার টিকর এলাকার মরহুম আবু বাককার সিদ্দিকের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে,রাজশাহীর পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের কলার টিকর এলাকার মরহুম আবু বাককার সিদ্দিক পবা উপজেলার গোসাইপুর মৌজায় আর.এস ৯ ও ১০ নং খতিয়ানের ১৩৭, ১৩৮ ও ১০৭/১৬৩ নং দাগে মোট ২.১৫০০ একর ভিটা জমি ক্রয় করেন। যার দলিল নং ১১২৮৫, তারিখ ১৪/৭/১৯৬৪ ইং এবং দলিল নং ৮৭৫৮, তারিখ ১৩/৩/১৯৭২ ইং।তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় তার বড় ছেলে হাসান আলী বাবার সমস্ত জমিজমা দেখাশুনা করতেন। ১১/০১/২০১০ ইং তারিখে আবু বাককার সিদ্দিক এক স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ৭ মেয়ে ওয়ারিশ রেখে মারা যান। বাবার মুত্যুর পর হাসান আলী প্রতারণা করে ২.১৫০০ একর জমি বাবাকে দাতা দেখিয়ে ১৯/৯/১৯৮০ ইং তারিখে ২৪১৪৩ নম্বরের একটি জাল দলি তৈরি করেন। ভাই ও বোনদের ফাঁকি দিতেই এই জাল দলিল তৈরি করা হয়। এরপর গত ৯/৪/২০২১ ইং তারিখে ওই দলিল খারিজের জন্য পবা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আবেদন করেন হাসান আলী। যার খারিজ কেস নং ১৪৩১৪/৯-১/২০-২১।

বিষয়টি জানার পর হাসান আলীর বোন (মামলার বাদী) ও ছোট ভাইয়েরা সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে খোঁজ নিয়ে ওই দলিলের জাবেদা কপি সংগ্রহ করে তারা জানতে পারেন উক্ত ২৪১৪৩/১৯৮০ নং দলিলে দাতা মোসা: ফাতেমা বেওয়া ও মো: আব্দুল মজিদ এবং তাদের টিপ নম্বর ১৬৫৬৭ ও ১৬৫৬৮। কিন্তু বাদীর ভাইয়ের জাল দলিলে দাতার টিপ নম্বর ১৫৫১০ দেখানো হয়েছে। অথচ ১৫৫১০ নম্বরের টিপ সম্বলিত দলিলের নম্বর ২১৮১১/১৯৮০ এবং দাতা মোসা: আলিমুন্নেছা বিবি ও গ্রহিতা মো: আব্দুস সামাদ গাজী দিং এবং বিক্রীত সম্পত্তি পবা উপজেলার বিল নেপালপাড়া মৌজাধীন। এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী হাসান আলীর জন্ম তারিখ ২৫/১০/১৯৮২। অথচ তার বাবার দেওয়া ওই জাল দলিল সম্পাদনের তারিখ দেখানো হয়েছে ১৯/৯/১৯৮০ ইং। কাজেই জন্মের আগে বাবার নিকট হতে জমি নেওয়া বাস্তবাতা বিবর্জিত এবং চরমভাবে প্রতারণার শামিল। আসামী হাসান আলী বাবার সম্পত্তি গ্রাস করার হীন উদ্দেশ্যে জাল দলিল তৈরি করে দন্ড বিধি ৪৬৫/৪৬৭/৪৭১ ধারায় অপরাধ করেছে মর্মে তার বড় বোন জান্নাতুন নেসা বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবি এ্যাডভোকেট আল মমিন বিল্লা জানান,এ মামলায় গত বুধবার আসামী হাসান আলী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের জন্য আবেদন জানালে বিজ্ঞ বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

ফেসবুকে সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2017 আলোকিত ভোরের বার্তা
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com